সাম্প্রতিক আপডেটঃ
Home > ফাযায়েল > যিলহজ্ব মাসের ফযীলত

যিলহজ্ব মাসের ফযীলত

আল্লামা সাইয়্যেদ মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন আযহারী

আমাদের মাঝে যিলহজ্ব মাস সমাগত। এ মাস হজ্বের মাস, কুরবানীর মাস। এ মাস অতি ফযীলতপূর্ণ, মহিমান্বিত।আল্লাহর তাআলার বিধানানুসারে যে চারটি মাস পবিত্র ও সম্মানিত, তার একটি হল যিলহজ্ব মাস। আর এমাসের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট ও মর্যাদাপূর্ণ সময় হল আশারায়ে যিলহজ্ব বা যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশক।

দুটি ইবাদত এ দশকের মর্যাদাকে আরো অধিক বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করেছে। আল্লাহ রাববুল আলামীন এ মাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হজ্ব এর বিধান রেখেছেন, যাকে হাদীস শরীফে ইসলামের পাঁচ রুকনের একটি বলা হয়েছে। ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ হজ্বের আমল মাসটিকে আরো আড়ম্বর ও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। আল্লাহ প্রেমিকরা সাদা ইহরামের কাপড় পরিধান করে বায়তুল্লাহ যেয়ারত ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রওজা এবং তার স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলো যিয়ারত করে নিজেদের আত্মার পিপাসা নিবারণ করেন।

হজ্বের সাদা ইহরাম, তালবিয়া পাঠ করা, পবিত্র কাবা তওয়াফ করা, হজরে আসওয়াদ (কালো পাথর) চুমু খাওয়া, সাফা-মারওয়া পাহাড়দ্বয় প্রদক্ষিণ করা, আরাফা, মিনা ও মুযদালিফার ময়দানে অবস্থান করা, মদীনাতুন নববীতে গমন করা , মসজিদে নববীতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রওজা মুবারক যেয়ারত করা, রওজাতুম মিন রিয়াজিল জান্নাতে অবস্থান করা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় সাহাবীগণের কবর যেয়ারত করা, বদর, উহুদ, খন্দকের মত বিশ্ব বিখ্যাত জিহাদ প্রান্তর পরিদর্শনসহ আরো কত ধরনের কর্মসূচী সম্পৃক্ত হয়ে হজ্বের এ মাসকে করে তুলে আরো বর্ণাঢ্যময়।

এ মাসের দ্বিতীয় বিশেষ ইবাদত কুরবানী, যা শা‘আইরে ইসলাম বা ইসলামের নিদর্শনসমূহের অন্যতম। এই দুই গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের জন্যে এ মাসের নির্ধারণ থেকেও এর মর্যাদা ও মাহাত্ম্য অনুমান করা যায়। তদুপরি কুরআন-হাদীস থেকেও এ মাসের এবং এ মাসের বিশেষ কিছু দিবস-রজনীর মর্যাদা প্রতীয়মান হয়। কারণ এ মাস চার মহিমান্বিত মাসের অন্যতম, যাকে কুরআন মজীদে ‘‘আরবাআতুন হুরুম’’ বলা হয়েছে। সূরাতুল ফাজরে আল্লাহ তাআলা যে দশ রজনীর শপথ করেছেন, মুফাসসিরগণের মতে তা এ মাসের প্রথম দশ রাত। তেমনি সূরাতুল হজ্বে (২২:২৮) যে ‘নির্দিষ্ট দিবসগুলোতে’ আল্লাহর নাম স্মরণের প্রসঙ্গ উল্লেখিত হয়েছে, তাও যিলহজ্বের প্রথম দশ দিন।আল্লাহ পাক ঈরশাদ করেন “আমি মূসা (আঃ)-এর সাথে ওয়াদা করেছি ত্রিশ রাত্রির এবং তা পূর্ণ করেছি আরো দশ দ্বারা” মুফাসিসির গণ বলেছেন, সেই দশদিনও ছিল যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশ দিন।

এ দশ দিনের মর্যাদা বুঝার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, আল্লাহ তাআলা মহাগ্রন্থ আল কুরআনে এ দশ দিনের কসম করেছেন। তিনি বলেন- “শপথ ফজরের ও দশ রাতের” (সূরা ফজর:১-২)। দশ রাত বলতে এখানে যিলহজ্বের দশ রাতকে বুঝানো হয়েছে। আর আল্লাহ তাআলা বড় কোনো বিষয় ছাড়া কসম খান না। ফজিলতে পূর্ণ এই মাসের ফজিলত প্রসঙ্গে হযরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত একটি হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন “যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশ দিনের নেক আমলের চেয়ে অন্য কোন দিনের নেক আমল আল্লাহর কাছে বেশী প্রিয় নয়। সাহাবীগণ প্রশ্ন করেন জিহাদও নয় কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- জিহাদও নয়। তবে ঐ ব্যক্তি ব্যতিক্রম যে নিজের জান ও মাল নিয়ে জিহাদে বের হয়েছে এবং কিছু নিয়ে ফিরে আসেনি। অর্থাৎ শহীদ হয়ে গিয়েছে।” (বোখারী শরীফ- ৯২৬, তিরমিযী শরীফ- ৭৫৭)

হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহর ইবাদতের জন্য যিলহজ্বের প্রথম দশ দিনের চেয়ে উত্তম কোন দিন নেই, এর একদিনের রোজা এক বছরের রোযার সমতুল্য এবং এক রাতের ইবাদত ক্বদরের রাত্রের ইবাদতের সমতুল্য। (তিরমিযী, ইবনে মাজা)

হযরত কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আরাফা’র দিনে রোজা রাখার ফজীলত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বলেন- “এর দ্বারা অতীতের এক বছর এবং ভবিষ্যতের এক বছরের গুনাহের কাফ্ফারা হয়ে যায়”। (মুসলিম শরীফ-২৭৩৯)

অন্য বর্ণনায় হযরত জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে:যিলহজ্বের দশ দিনের চেয়ে কোনো দিনই আল্লাহর নিকট উত্তম নয়।(সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ২৮৪২)

কুরআনের উপরোক্ত আয়াত ও হাদীসসমূহের আলোকে স্পষ্ট বুঝা যায়, এই দশ দিনের যে কোনো নেক আমল আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়। তাই মুমিন বান্দার জন্য অধিক পরিমাণে সওয়াব অর্জন, আল্লাহরনৈকট্য লাভ এবং আখেরাতের পাথেয় সংগ্রহের এরচেয়ে উপযুক্ত সময় আর কী হতে পারে? এজন্য পূর্ববর্তীদের জীবনীতে এই দশকের আমল সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, যখন এই দশকের দিনগুলোর আগমন ঘটত এত অধিক আমল ও মুজাহাদা করতেন, যা পরিমাপ করাও সম্ভব নয়।আমাদেরও উচিত বিভিন্ন নেক আমলের মাধ্যমে এই দশকের রাত-দিনগুলোকে জীবন্ত ও প্রাণবন্ত করে তোলা।তাছাড়া বিভিন্ন হাদীসে এই দশকের বিশেষ কিছু আমলের কথাও বর্ণিত হয়েছে। যেমন-

# ১. চুল, নখ, গোঁফ ইত্যাদি না কাটা:যিলহজ্বের চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানীর আগ পর্যন্ত নিজের নখ, চুল, মোচ, নাভীর নিচের পশম ইত্যাদি না কাটা। এটা মুস্তাহাব আমল।হযরত উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,তোমরা যদি যিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখতে পাও আর তোমাদের কেউ কুরবানী করার ইচ্ছা করে তবে সে যেন স্বীয় চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে। (সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১৯৭৭; জামে তিরমিযী, হাদীস : ১৫২৩;সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ২৭৯১; সুনানে নাসয়ী, হাদীস : ৪৩৬২; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৫৮৯৭)

যে ব্যক্তি কুরবানী করতে সক্ষম নয় সেও এ আমল পালন করবে। অর্থাৎ নিজের চুল, নখ, গোঁফ ইত্যাদি কাটবে না; বরং তা কুরবানীর দিন কাটবে। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন:আমি কুরবানীর দিন সম্পর্কে আদিষ্ট হয়েছি (অর্থাৎ এ দিবসে কুরবানী করার আদেশ করা হয়েছে।) আল্লাহ তাআলা তা এ উম্মতের জন্য ঈদ হিসাবে নির্ধারণ করেছেন। এক ব্যক্তি আরজ করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আমার কাছে শুধু একটি মানীহা থাকে অর্থাৎ যা শুধু দুধ পানের জন্য দেওয়া হয়েছে? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না; বরং সেদিন তুমি তোমার চুল কাটবে (মুন্ডাবে বা ছোট করবে),নখ কাটবে, মোচ এবং নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করবে। এটাই আল্লাহর কাছে তোমার পূর্ণ কুরবানী বলে গণ্য হবে। (মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ৬৫৭৫; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৭৭৩; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস: ২৭৮৯)

আল্লাহ পাক গরীবদের উপর যে অত্যন্ত ও সীমাহীন দয়া করেছেন তার প্রমাণ আলোচ্য হাদীস। সুতরাং যাদের উপর কুরবানী ওয়াজিব নয় তাদের উপরোক্ত হাদীসে বর্ণিত আমলকে গনীমত মনে করা উচিত এবং কুরবানীর চাঁদ অর্থাৎ জিলহজ্ব মাসের চাঁদ উদিত হওয়ার পর থেকে কুরবানী পর্যন্ত (১০দিন) নিজের চুল, নখ ইত্যাদিতে হাত না লাগানো উচিত।

অর্থাৎ যারা কুরবানী করতে সক্ষম নয় তারাও যেন মুসলমানদের সাথে ঈদের আনন্দ ও খুশি উদযাপনেঅংশীদার হয়। তারা এগুলো কর্তন করেও পরিপূর্ণ সওয়াবের অধিকারী হবে। অনুরূপভাবে হাজীদের সাদৃশ্য অবলম্বনকারী হবে।

# ২. ঈদের দিন ছাড়া বাকি নয় দিন রোযা রাখা:আশারায়ে যিলহজ্বের আরেকটি বিশেষ আমল হল, ঈদুল আযহার দিন ছাড়া প্রথম নয় দিন রোযা রাখা। হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই নয়টি দিবসে (যিলহজ্ব মাসেরপ্রথম নয় দিন) রোযা রাখতেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ২৪৩৭; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস : ২২২৩৪;সুনানে নাসায়ী, হাদীস : ২৪১৬)

অন্য হাদীসে হযরত হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন: চারটি আমল নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো ছাড়তেন না। আশুরার রোযা, যিলহজ্বের প্রথম দশকের রোযা, প্রত্যেক মাসের তিন দিনের রোযা, ফজরের আগে দুই রাকাত সুন্নত নামায। (সুনানে নাসায়ী, হাদীস :২৪১৫; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৬৪২২; মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদীস : ৭০৪২; মুসনাদেআহমাদ, হাদীস : ২৬৩৩৯)

# ৩. বিশেষভাবে নয় তারিখের রোযা রাখা: যিলহজ্বের প্রথম নয় দিনের মধ্যে নবম তারিখের রোযা সর্বাধিক ফযীলতপূর্ণ। সহীহ হাদীসে এই দিবসের রোযার ফযীলত বর্ণিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আরাফার দিনের (নয় তারিখের) রোযার বিষয়ে আমি আল্লাহর নিকট আশাবাদী যে, তিনি এর দ্বারা বিগতএক বছর ও আগামী বছরের গুনাহ মিটিয়ে দিবেন। (সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১১৬২; সুনানে আবু দাউদ,হাদীস : ২৪২৫; জামে তিরমিযী, হাদীস : ৭৪৯; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস : ১৭৩০)

আরেক হাদীসে এসেছে,যে ব্যক্তি আরাফার দিন রোযা রাখবে তার লাগাতার দুই বছরের গুনাহ ক্ষমা করা হবে।(মুসনাদে আবুইয়ালা, হাদীস : ৭৫৪৮; মাজমাউয যাওয়াইদ, হাদীস : ৫১৪১)

যারা যিলহজ্বের নয় রোযা রাখতে সক্ষম হবে না তারা যেন অন্তত এই দিনের রোযা রাখা থেকে বঞ্চিত না হয়। আল্লাহ তাআলা আশারায়ে যিলহজ্বের মতো অন্যান্য বিশেষ বৈশিষ্ট্যমন্ডিত দিনগুলোতে ইবাদত-বন্দেগী করার তাওফীক দিন। আমীন।

হাদীস শরীফে আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- দুনিয়ার দিনগুলোর শ্রেষ্ঠ দিন হচ্ছে সেই দশ দিন। অর্থাৎ যিলহজ্বের দশদিন। (মাজমাউয যাওয়াইদ, হাদীস ৫৯৩৩)

কিন্তু যিলহজ্ব মাস তো চার হারাম মাসের অন্যতম, যার সম্পর্কে কুরআন মজীদের নির্দেশ, ‘তোমরা এ সময়ে নিজেদের উপর জুলুম করো না।’ মুফাসসিরগণের ব্যাখ্যা অনুসারে এ পবিত্র সময়ে গুনাহ থেকে বিরত থাকাও এ আদেশের মধ্যে শামিল। আর ইয়াওমে আরাফা সম্পর্কে তো স্বয়ং আল্লাহর রাসূল সাল্লা্ল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইরশাদ-এ তো এমন দিন যে, এদিনে যে নিজের চোখ, কান ও যবানকে নিয়ন্ত্রণে রাখে তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। (মুসনাদে আহমদ, ১/ ৩২৯)

তেমনি দিবস রজনী ফযীলতপূর্ণ হওয়ার আরেক দাবি, সে মুবারক সময়ে ইবাদত-বন্দেগী ও নেক আমলের বিষয়ে অন্য সময়ের চেয়ে বেশী যত্নবান হওয়া।কিন্তু আমরা যাদের হজ্বে যাওয়া হচ্ছে না, তাদেরকে আল্লাহ তাআলা একেবারেই বঞ্চিত করে রাখেননি।যিলহজ্ব মাসের ঐদিনগুলোতে আমরা যেন বেশি বেশি করে ইবাদত করি সে জন্য আল্লাহ তাআলা ঐদিনগুলোর ইবাদতে আমাদের জন্য রেখেছেন অফুরন্ত ফযীলত। সেগুলোর গুরুত্ব বুঝানোর জন্য আল্লাহ তাআলা সূরা আল ফযর এ কসম করে বলেছেন: ‘ওয়া লাইয়ালিন আশর’-দশটি রাতের কসম।

এ দশটি দিনে বেশি বেশি করে নেক আমলের সুযোগ হাত ছাড়া করা নিশ্চয়ই ঠিক হবে না। এ সময়গুলোতে কি কি আমল করা উচিৎ। নফল আমলের মধ্যে সর্বোচ্চ হল নফল সালাত, বিশেষ করে সালাতুত তাহাজ্জোদ। কুরআন তেলাওয়াত, যিকর, ইস্তেগফার, দোয়া ও দরুদ ইত্যাদি।

সুনানে নাসায়ী ও মুসনাদে আহমাদসহ অন্যান্য হাদীসের কিতাবে আছে যে, আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে আমলগুলো ছাড়তেন না তম্মধ্যে আশুরার রোযা (কুরবানীর ঈদের দিন ছাড়া) যিলহজ্বের দশ দিনের রোযা, ফজরের দুই রাকাত সুন্নত এবং আইয়ামে বীযের রোযা অন্যতম। (সুনানে নাসায়ী, হাদীস ২৪১৫; মুসনাদে আহমাদ,হাদীস ২৬৩৩৯)

আল্লাহ রাববুল আলমীন আমাদের তাওফীক দান করুন। আমীন !

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *